পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মাদক সেবনের প্রতিবাদে শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে জামাই আলামিনের বিরুদ্ধে। গত ২৭ অক্টোবর রাত সাতটার দিকে উপজেলার সদর দক্ষিণ বন্দর ড্রেন রোড নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
আহতের নাম রহিমা বেগম, সে বরগুনা পাথরঘাটা উপজেলার চর দোয়া নিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ জ্ঞানপাড়া গ্রামের মতিউর রহমান বেপারীর স্ত্রী, বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে
আহতের মেয়ে মাকসুদা জানান, গত পাঁচ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে মাকসুদার সাথে মঠবাড়িয়া উপজেলার সদর দক্ষিণ সদর ড্রেন রোড গ্রামের প্রবাসী রুস্তম হাওলাদার এর ছেলে আলামিনের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
গত এক বছর ধরে আলামিন মাদকাসক্ত জড়িয়ে পড়ে। যদিও বিয়ের পূর্ব থেকে মাদকাসক্ত ছিলেন আলামিন তবে বিষয়টি আমরা জানিনা। বিয়ের পরে জানতে পারে তাকে ভালো করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি।
গত এক সপ্তাহ পূর্বে আমার শাশুড়ি ওমরার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যায়। ওই সময় আমার শাশুড়ি মা আমাকে ভালো-মন্দ দেখার জন্য আমার মা রহিমাকে আমাদের বাসায় রেখে যায়। ঘটনার দিন সোমবার আমার স্বামী আলামিন বাসার মধ্যে মদ পান করে মাতলামি করে। সেখানে আমিও আমার মা- তাকে বুঝানোর চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে মায়ের উপরে চড়াও হয়ে যায় স্বামী আলামিন।
প্রতিবাদ করা হলে মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টায় যখন করে। পার্শ্ববর্তী লোকজন আহত অবস্থায় শাশুড়ি রহিমা কে উদ্ধার করে মঠবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিকেলের রেফার করা হয়।
এদিকে রহিমার মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপে মারাত্মক জখম হয়েছে। রহিমার অবস্থা আশঙ্কাজনক। যে কোন সময় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা যায়।