পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার ৩ নং স্বরূপকাঠির ২ নং ওয়ার্ড কুনিআড়ি গ্রামে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে তিন ভাইকে হাতুড় দিয়ে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
৫ নভেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হল, ওই এলাকার মৃত সাঈদ আলী হাওলাদার এর ছেলে আব্বাস, মোক্তার ও আপতার হাওলাদার, স্ত্রী আম্বিয়া বেগম এবং পুত্রবধূ মুকুল বেগম। স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়। সেখানে মোক্তার এবং আব্বাসের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
আহত আব্বাস জানান, আব্বাস ও তার পরিবারদের পৈত্রিক ওয়ারিশ জমি নিয়ে প্রতিপক্ষ আবুল কালাম গংদের সাথে বিরোধ চলে আসছে, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। গত পাঁচ ই আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে প্রতিপক্ষ বিবাদী আবুল কালাম ও তার সহযোগীরা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোরপূর্বক আব্বাসদের জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এমনকি সেখানে রাতের আঁধারে ঘর তোলার জন্য পাঁয়তারা চালায়।
ঘটনার দিন বুধবার সকাল ৯ টার দিকে জমি নিয়ে আব্বাস, মোক্তার, আপ্তারদের সাথে দ্বন্দ্ব হয় আবুল কালাম ও তার সহযোগীদের।
এরই জের ধরে একপর্যায়ে আবুল কালাম, তাদের সহযোগী জসিম, রুবেল, কাঞ্চন, মনটু, সহ একদল দুর্বৃত্ত সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে আব্বাসকে হাতুড় দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় আব্বাসকে বাঁচাতে তার অপর ভাই মোক্তার, আপ্তার, স্ত্রী মুকুল এবং মা আম্বিয়া আসলে তাদেরকেও এলো পাতারি ভাবে পিটিয়ে মারাত্মক যখম করেন আবুল কালাম সহ অন্যান্য সহযোগীরা।
আহতের স্বজনরা আরও জানান, ইতিপূর্বেও একাধিকবার তাদের উপরে জুলুম অত্যাচার নিপীড়ন করেছে আবুল কালাম গ্ং। এদের ভয়ে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে আছে। হামলা ঘটনার পরে বর্তমানে আহতদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এ ঘটনায় নেছারাবাদ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা যায়।