
আহত সুমি জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে সুমি ও তার পরিবারদের সাথে চাচা শ্বশুর মাইনুদ্দিন খান ও তার সহযোগীদের সাথে বিরোধ চলে আসছে। সুমির স্বামী রায়হান খানের পৈত্রিক ওয়ারিশ জমি জোরপূর্বক জবরদখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে প্রতিপক্ষরা। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসলেও তৎকালীন পতিত সরকারের আমলে মাইনুদ্দিন ও তার সহযোগীরা রায়হান খানের পরিবারের উপর ব্যাপক নির্যাতন করে আসছে। এখনো আইনের নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে রায়হান খানের বসতবাড়ি র গাছপালা জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। গত ৮ দিন পূর্বে মাইনুদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন রায়হান খানের বসতবাড়ির গাছ রাতের আধারে কেটে নিয়ে যায়। প্রায় ৮ লাখ টাকার গাছ প্রতিপক্ষরা বিক্রি করেন। এছাড়া পাঁচ শতক জমি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমল থেকে দখল করে আছে। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার জমি ও গাছ বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে মাইনুদ্দীনের সাথে রায়হানের স্ত্রীর সুমির দ্বন্দ্ব হয়। এর ই জের ধরে মাইনুদ্দিন ও তার স্ত্রী খুকি, সহ অজ্ঞাতনামা লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টায় সুমিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। স্থানীয়, পরিবারের লোকজন আহত সুমিকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে বাকেরগঞ্জ থানায় মৌখিকভাবে মামলার অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।