বরিশালে সেই কুলাঙ্গার আখ্যায়িত আওয়ামী লীগ নেতা মিলন ও সুজন বেপরোয়া...
সংবাদ প্রকাশের পর হাসপাতাল রোড ল কলেজ কম্পাউন্ড এলাকার ভুঁইয়া পরিবারের সন্তান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর মায়ের দেয়া কুলাঙ্গার আখ্যায়িত মিলন ভুইয়া ও সুজন ভুইয়া আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মিলনের স্ত্রী আওয়ামী লীগের মহিলানেত্রী সাবেরা বেগম চৌধুরীকে দিয়ে বুধবার সকালে অকথ্য ভাষায় অশালীন আচরণ সহ প্রাণ নাসের হুমকি দেয়া হয় বৃদ্ধা মা সহ তার ছোট ভাই সজলকে। যার একটি অডিও বার্তা রেকর্ড হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাল রোড ল কলেজ কমপাউন্ড এলাকায় সম্পত্তির লোভে পড়ে বৃদ্ধ মা আনোয়ারা বেগমকে ফাঁদে ফেলে জমি লিখে নেয়া আওয়ামী লীগ নেতা মিলন ও তার পরিবারের সদস্যরা একের পর এক অমানুষিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। পরিবার ছাড়াও রাজনীতি জীবনেও বিতর্কিত এই নেতা। বরিশাল কলেজ থেকে তার রাজনীতি শুরু করেন। মিলনরাজনীতির নামে দালালি, চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াত। তখন তার নিজস্ব একটি গ্রুপ তৈরি করে হাসপাতাল রোড এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসতো।বরিশাল কলেজে ছাত্র থাকাকালীন ভিপি ক্যান্ডিডেট থাকা সত্ত্বেও তার রেকর্ড খারাপ থাকার কারণে জাকিরকে ভিপি পদ দেওয়া হয়। জেলার রাজনীতি করা কালীন সময়ে বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই নেতা। হাসানাতপন্ত্রী হয়েও আমির হোসেন আমু গ্রুপের সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন। যে কারণে সে রোশনালে পড়ে যায়। সাদেক আব্দুল্লাহর যখন বরিশালের নেতৃত্ব আসে.. তখন সে হিরনপন্থী হয়ে কাজ করে। সেখানেও বড় ধরনের বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। সাদেক আব্দুল্লাহ নির্বাচনের সময় তার চাচা খোকন আব্দুল্লাহর সাথে সখ্যতা তৈরি করতে গিয়ে বিতর্কিত হয়ে পড়ে। সেখানেও বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়। এক কথায় কেউ তাকে বিশ্বাস করতে পারে না, কখন কার লোক হয়ে যায়। একাধিকবার রাজনীতি অঙ্গনে লাঞ্ছিত শিকার হতে হয়েছে মিলনকে। অনেকে মীর জাফর আখ্যা দেয়। কিন্তু তার গর্ভধারিনী মা দিয়েছে কুলাঙ্গার। মিলনের স্ত্রী সাবেরা চৌধুরী খোকন সেরনিয়াবাতের সহধর্মিনী লুনা আব্দুল্লাহ র দোসর ছিলেন। যখন যাকে প্রয়োজন হতো তাকে ব্যবহার করে স্বার্থ হাসিল করেন। মিলনের স্ত্রী চলাফেরা ছিল বেপরোয়া। বরিশাল আলেকান্দার মেয়ে বলে দাপট দেখিয়ে অনেকের সাথে অশালীন আচরণ করা তার স্বভাব। জমি নিয়ে তার মামাতো ভাই মামা দের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।
বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম জানান, আমার বক্তব্য নিয়ে পত্রিকায় মিলন ও সুজনের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যে কারণে মিলন তার স্ত্রীকে দিয়ে আমাকে গালিগাল দেওয়াসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করবো।