প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৭, ২০২৬, ১:০৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
বরিশালে যুবদল নেতার ত্রাস, মা ও মেয়ের উপর হামলার অভিযোগ
বরিশালে যুবদল নেতার ত্রাস, মা ও মেয়ের উপর হামলার অভিযোগ
বরিশাল নগরীর নিউ সার্কুলার রোড এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মা ও মেয়ের উপর হামলা চালিয়ে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
গত ৪ ই জানুয়ারি রবিবার দুপুর আনুমানিক বারোটার দিকে গাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো, ওই এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তার হাওলাদার এর স্ত্রী আমেনা বেগম এবং তার মেয়ে সুমা আক্তার।এদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সোমাকে বরিশাল শেরে বলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং মা আমেনা প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।
আহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আমেনা বেগম ও তার পরিবারের সাথে প্রতিপক্ষ মৃত রুস্তম আলী হাওলাদারের মেয়ে রাখি ও তার পরিবারদের পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রায় সময় আমেনা ও তার পরিবারকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছে রাখির ভাই সোহেল ও তার সহযোগীরা। বিষয়টি নিয়ে এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রশাসনকে অবগত করা হলে প্রতিপক্ষ যুবদল নেতা সোহেল ও তার সহযোগীরা আরও বেপরোয়া হয়ে যায়, শুরু হয় নির্যাতন, হামলা অত্যাচার উৎখাতের চেষ্টা।নগরীর ১৫ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাখির ভাই সোহেল যুবদলের দাপট দেখিয়ে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছে বলে অভিযোগ আহত সুমার।ঘটনার দিন গত রবিবার দুপুর আনুমানিক বারোটার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সুমার সাথে রাখির দ্বন্দ্ব হয়। এরই জের ধরে রাখির ভাই সোহেল ও জসিমের নির্দেশে রাখি ও তার মা রহিমা বেগম পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টায় সুমার উপরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সোমাকে বাঁচাতে তার মা আমেনা আসলে তাকেও এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে আহত করেন রাখি সহ অন্যান্য সহযোগীরা। হামলার আঘাতে সোমার বাম পাশের কানের পর্দা ফেটে যায়, রক্ত বের হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে যে কোন সময় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করতে পারে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। আহতের স্বজন শিউলি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষরা আমার বোন ও ভাগ্নির উপরে অত্যাচার চালিয়ে আসছে যুবদল নেতা সোহেল ও তার পরিবার। সরকার পতনের পর থেকে প্রতিনিয়ত এই পরিবারকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। প্রতিবেশী থাকার কারণে বারবার হামলার বিষয়টি আমরা সামাজিকভাবে মীমাংসার চোখে দেখি। কিন্তু যত আমরা সুযোগ দেই ততই তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। আমার ভাগ্নির কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়ার ঘটনায় আমরা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেব।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
© Copyright, All Rights Reserved, EkusherChokh24