বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে রায়হান খান নামে এক ইলেকট্রিক্যাল মিস্ত্রিকে দুই দফায় হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৭ জানুয়ারি সোমবার দুপুর বারোটা এবং ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে কালু খান বাড়ি, খান সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর অবস্থায় রায়হান খান কে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। রায়হান খান ওই এলাকার আবুল কাশেম খানের ছেলে ও একজন ইলেকট্রিক্যাল মিস্ত্রি।
অভিযুক্ত হামলাকারী মুন্না একই এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে এবং অন্যান্যরা হলো মুন্নার সহযোগী তারেক, সোহেল, ইউসুফ, ইমান আলী।
https://youtube.com/shorts/laZrcLeoTPM?feature=share
আহত রায়হান জানান, রায়হান তাদের বাড়ির পাশে চতুর্থ তলা একটি ভবনের ইলেকট্রিক্যাল মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করেন। ওই বিল্ডিংয়ে অভিযুক্ত মুন্না ইলেকট্রিক্যাল ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন। রায়হানের সম্পর্কে মুন্না চাচাতো চাচা হয়।
গত সোমবার চায়ের দোকানে নাস্তা খাওয়া নিয়ে মুন্না ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুর বারোটার দিকে নির্মাণাধীন চতুর্থ তলার ছাদের উপর রায়হানের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এমনকি তাকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে হত্যা চেষ্টা করে। বিষয়টি পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন সমাধান করে দিলেও পরের দিন মঙ্গলবার দুপুর বারোটায় রায়হান মোটরসাইকেল করে তার বাচ্চা নিয়ে আসার সময় মুন্না কালুখান বাড়ি এলাকায় তাকে মোটরসাইকেল থামিয়ে পথরোধ করে। মোটরসাইকেল থেকে নামার আগেই তার উপর হত্যার চেষ্টায় লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে মুন্না, তারেক, সোহেল, ইউসুফ, ইমান আলী সহ অজ্ঞাত কয়েকজন।
বর্তমানে মুন্না মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রায়হান আরও জানান, আমার অপরাধ কি! আমাকে কেন হত্যার চেষ্টায় দুই দুইবার হামলা চালানো হয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।