এদিকে, সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) দিবাগত রাতে নগরের হাট বিএনপির ইউনিয়ন কার্যালয়ে ব্যাটনের উপস্থিতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ফাঁসি চাওয়া পরিবারের সদস্য ফ্যাসিস্ট দোসর স্বপন সরদার বিএনপির নেতা-কর্মি কর্তৃক গণধোলাইর শিকার হন। পরে ব্যাটন তালুকদার তার ত্রাস বাহিনী নিয়ে থানায় গিয়ে নওমালা ইউনিয়ন বিএনপির ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আল আমিন মৃধা, যুবদল নেতা সাইফুল মৃধা এবং বিএনপি কর্মি আঃ ওহাব হাওলাদারকে আসামি করে থানায় মামলা নিতে বাধ্য করেন বলে একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।
সরেজমিনে জানা যায়, তিনি এলাকায় ‘আওয়ামী-বিএনপি’ নেতা নামে খ্যাত। বর্তমানে নওমালা ইউনিয়ন বিএনপিতে ব্যাটন তালুকদারকে নিয়ে বিরক্ত নেতাকর্মিরা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবদুর রশীদ খান ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ ডিগ্রী কঠোয় প্রভাষক পদে ১৭ জন নিয়োগ প্রদান করেন। ব্যাটন সভাপতির পদ ভাগিয়ে নিয়ে সাবেক সভাপতি কামাল বিশ্বাসের সহযোগিতায় অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে অন্য লোকদের নিয়োগ প্রদান করেন। এক্ষেত্রে ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক মোঃ সোহাগ এর নাম বাদ দিয়ে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সামসু ফকিরের মেয়ে নাসিমার নাম শোনা যাচ্ছে।
এদিকে, কলেজের ডিগ্রি শাখার ৫ জন শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার নামে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ লাখ করে ২৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি আরো ১২ জন শিক্ষকের কাছ থেকে ২ লাখ করে ২৪ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেছেন। এখনো তাদের কাছে আরো টাকা দাবি করছেন এমপিও করে দেওয়ার নামে। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, কলেজের সভাপতি ব্যাটন তালুকদার ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ আবদুল মালেককে স্বপদে বহাল রাখতে উচ্চ পর্যায়ে তদবির করেছেন। তবে শিক্ষকদের এ ব্যাপারে মুখ খুলতে নিষেধ করেছেন ব্যাটন বাহিনী।