
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রবাসী সহ তার পরিবারের ৬ জনকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গত ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১১ টার দিকে কাঠালতলী ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো, প্রবাসী জুয়েল, জুয়েলের বাবা আবুল হোসেন, মামা মনির হোসেন, মা, ফরিদা বেগম, জুয়েলের স্ত্রী মারজিয়া আক্তার, জুয়েলের ভাইয়ের স্ত্রী পারভিন। এদের মধ্যে মনির কে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল রেফার করা হয় এবং জুয়েল এবং জুয়েলের স্ত্রী মারজিয়াকে ঢাকা রেফার করা হয়েছে। এবং অন্যান্যরা পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসাধীন।
আহত আবুল হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে আবুল হোসেনের জমিজমা নিয়ে প্রতিপক্ষ আমার ছোট ভাই হাবিব এবং বড় ভাই লতিফদের সাথে বিরোধ চলে আসছে। আমার জমি আমার এই দুই ভাই জোরপূর্বক ভোগ দখল করে আসছে। আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে ভয় ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। প্রতিপক্ষরা আইনের নিয়মকানুন তোয়াক্কা করে না, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমাকে এবং আমার পরিবারকে বাড়ি থেকে উৎখাত করার চেষ্টাও চালায়। ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে জমি জমা বিরোধের জের ধরে লতিফ ,লতিফের স্ত্রী রেহেনা, হাবিবের স্ত্রী ফরিদা, হাবিবের মেয়ে মার্জানা, হাবিবের পুত্রবধূ শাহনাজ, সহ একদল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টায় আবুল হোসেনের ছেলে প্রবাসী জুয়েল এর উপরে হামলা চালায়, এ সময় তাকে বাঁচাতে জুয়েলের বাবা আবুল হোসেন, মামা মনির হোসেন, মা, ফরিদা বেগম, জুয়েলের স্ত্রী মারজিয়া আক্তার, জুয়েলের ভাইয়ের স্ত্রী পারভিন আসলে তাদেরকেও কুপিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন লতিফ সহ অন্যান্য সহযোগীরা।
এই ঘটনায় পাথরঘাটা থানায় আবুল হোসেন বাদী হয়ে ৬ জনকে জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।থানা পুলিশ ১ নং আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন।
এদিকে বাদি আবুল হোসেন আসামীদের ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতার করতে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছে।