
ঝালকাঠির সদর বিনয়কাটিতে জমি নিয়ে একটি শালীস সমাধানের মধ্যে চেয়ারম্যান ও মেম্বার এর সামনে অন্তঃসত্ত্বা নারী সহ একই পরিবারের আটজনকে হত্যার চেষ্টায় এলোপাথা এভাবে কুপিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২০ জানুয়ারি সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে মুড়াসাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলো, ওই এলাকার দেলোয়ার তালুকদারের ছেলে সোহেল তালুকদার, সোহেলের স্ত্রী লিজা বেগম, শালী মমতাজ বেগম, চাচাতো সমন্দি মনোয়ার, শ্যালক সবুজ, চাচি শাশুড়ি পারভীন বেগম, তাদের সজন মিলন, রাজিব। এদের মধ্যে গুরুতর পাঁচজনকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। আহত সোহেল জানান, দীর্ঘদিন ধরে সোহেলের শশুর হালিম হাওলাদার ও তার পরিবারের সাথে জমি জমা নিয়ে একই বাড়ির প্রতিবেশী সোলেমান, হাসান, দিপু ও তার পরিবারদের সাথে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শালীস সমাধানে বসে।ঘটনার দিন সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে সালিশ সমাধানের শেষ পর্যায়ে হঠাৎ হট্টগোল শুরু করে প্রতিপক্ষ দিপু, সোলায়মান সহ তাদের সহযোগীরা। এক পর্যায়ে দিপু, সোলায়মান, হাসান, আলমগীর সুজন, নুপুর, বৃষ্টি, জাহাঙ্গির খাঁ, রুস্তম খা, সুমি, অপু, পারভিন বেগম, মুনিয়া বেগম, হঠাৎ অতর্কিত ভাবে হামলা চালায় জামাই সোহেল তালুকদার এর উপর। পর্যায়ক্রমে সোহেলের স্ত্রী লিজা বেগম, শালী মমতাজ বেগম, চাচাতো সমন্দি মনোয়ার, শ্যালক সবুজ, চাচি শাশুড়ি পারভীন বেগম, তাদের সজন মিলন, রাজিব বাঁচাতে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন সোলায়মান সহ অন্যান্য সহযোগীরা,ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সোহেলের মাথায় উপরে বড় ধরনের কাটা জখম হয়। এবং অন্যান্যদের হামলায় আঘাত রয়েছে।স্থানীয় পরিবারের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে গুরুতর সোহেল তালুকদার, লিজা বেগম, মমতাজ বেগম, পারভীন, মনোয়ার, মিলনকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদিকে ঘটনা ভিন্নদিকে প্রবাহিত করতে প্রতিপক্ষ সোলায়মান সহ তাদের কয়েকজন হাসপাতালে নাটকীয় কাদায় ভর্তি হয়।