বরিশাল নগরীর রিফুজি কলোনির বিভিন্ন স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি হচ্ছে। কলোনির রাজবাড়ি হাওলাদার বাড়ি সর্দার মেনশন সহ আশপাশে হরহামেশাই চলে মাদক সেবন ও বিক্রি ।এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন চলে প্রকাশ্যে। সন্ধ্যা হলেই অনেক উঠতি বয়সী যুবক বহিরাগত মাদক কারবারি দের নিয়ে বিভিন্ন স্পটগুলোতে গিয়ে মাদক সেবন ও বিক্রি করে। সেবনকারীদের কারণে ঘর থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের । এলাকা জুড়ে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে আছে মাদক বিক্রির নেটওয়ার্ক। অধিকাংশই এক বা একাধিকবার মাদক মামলায় গ্রেফতার ও হয়। পরে জামিনে বেরিয়ে আবার জড়িয়ে পড়েছে মাদক ব্যবসায়।অনুসন্ধানে জানা যায়, কলোনির রাজবাড়ী এলাকায় মাদক ডিলার হাড্ডি জাহাঙ্গীর এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ক্রসফায়ারের আসামি নাক কাটা রুবেল ও সহযোগীদের নিয়ে ইয়াবা গাজা সহ ফেনসিডিল বিভিন্ন মাদক বিক্রি করে। তার সঙ্গে রয়েছে রাজন, স্টিল বাবু, ইয়াবা শাহিন,তুহিন, শাহ আলম, ছাত্রলীগের হিরা, টুকাই হানিফ,বুলেট আলামিন, হোটেল রহিম প্যাথ সোহেল,অলি সাথি মিলে ইয়াবা-গাঁজার খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করে থাকে। এবং এরাই রিফিউজিকলোনি এলাকায় মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত।সূত্রে জানা যায় ক্রসফায়ারে নিহত মাহবুবুল আলম মেহেদী একমাত্র সহযোগী র্যাবের তালিকাভুক্ত ক্রসফায়ারে আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ও পটুয়াখালীর ডাকাত সরদার নাক কাটা রুবেল শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রিফিউজি কলোনিতে মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে কেউ বাধা দিলে তাকে খুন হত্যা ও প্রাণ আসে হুমকি দিচ্ছে। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করে রমরমা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে দেখার কেউ নাই পুলিশ প্রশাসন মনের ভুলেও রিফুজি কলোনির রাজবাড়ি এলাকায় প্রবেশ করে না। তবে আজকে হঠাৎ মাদক ব্যবসায়ী হাড্ডি জাহাঙ্গীরকে ৪০০ পিচ ইয়াবাও ১ লক্ষ টাকা সহ আটক করে। তবে এলাকাবাসী জানায় নিয়মিত পুলিশের টহোল অব্যাহত থাকলে মাদক ব্যবসায়ীরা বা সেবনকারীরা মাথা চড়া দিয়ে দাঁড়াতে পারবে না।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।তারই অংশ হিসেবে ধৃত জাহাঙ্গীরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।অন্য মাদক কারবারিদের চলমান অভিযান আরও কঠোর করা হবে।