শেবাচিমে চিকিৎসাধীন দুই নারীর উপর হামলার প্রতিবাদে হামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ১৪, ২০২৫, ২২:১৫ অপরাহ্ণ
শেবাচিমে চিকিৎসাধীন স্ত্রী ও চাচি শাশুড়িকে শ্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টা থেকে বাঁচাতে গিয়ে স্বামীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গত ১৪ই মে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে হাসপাতালে চতুর্থ তলা মহিলা সার্জারি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।
আহত স্বামী মিলন চিকিৎসাধীন স্ত্রী ও শাশুড়িকে বাঁচাতে হামলাকারীদের ধরার চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে তারা তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ওর শরীরের পোশাক রেখে পালিয়ে যায়। এদিকে আহত স্বামী মিলন হাওলাদারকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। মিলন বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া নয়ানী গ্রামের মোহাম্মদ রফিকের ছেলে।
আহত মিলন জানান, মিলন তার পরিবার নিয়ে চরমোনাই র রাজারচর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে শশুর আমির আলী শিকদারের সাথে জমি জমা নিয়ে তাদের প্রতিবেশী আহাম্মদের ছেলে মিরাজ ও তার পরিবারদের বিরোধ চলে আসছে। বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
গত ১৩ই মে দুপুর দেড়টার দিকে জমি নিয়ে আমার স্ত্রী কুলসুম আক্তার ও চাচী শাশুড়ি মনোয়ারা বেগমের সাথে মিরাজ গংদের সাথে দ্বন্দ হয়। একপর্যায়ে অতর্কিতভাবে কুলসুম ও মনোয়ারা কে হত্যার চেষ্টা এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন মিরাজ ও তাদের সহযোগী মিজান, রিয়াজসহ একদল সহযোগী। পরে আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। ১৪ মে বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রতিপক্ষ হামলাকারী মিরাজ, মিজানসহ অজ্ঞাত কয়েকজন শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর বেডে এসে রোগীদের ফাইলপত্র হাতে নেয়। রোগী কুলসুম ও মনোয়ারা চিৎকার করলে একপর্যায়ে তাদেরকে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। সংবাদ পেয়ে আহত কুলসুমের স্বামী তাদেরকে বাঁচাতে গেলে একপর্যায়ে তাকে পিটিয়ে আহত করে মিজান মিরাসসহ কয়েকজন।