
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর রাজধানী ঢাকামুখী হতে হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দগ্ধ রোগীদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি জেলা শহরে পর্যায়ক্রমে ‘বার্ন ইউনিট কর্নার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদ ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার এসব তথ্য জানান।
সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, “জেলা শহরগুলোতে প্রাথমিক পর্যায়ে বার্ন ইউনিট কর্নার চালু হলে দগ্ধ রোগীরা তাৎক্ষণিক ও জরুরি চিকিৎসাসেবা পাবেন। এতে করে স্থানান্তরের জটিলতা কমে আসবে।
সভায় তিনি হাসপাতালে রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সমন্বিত উদ্যোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
বারিশালের ঐতিহ্যবাহী এই সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সভায় হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিদ্যমান জনবল সংকট নিরসন এবং সামগ্রিক সেবার মান বাড়ানোর উপায় নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা হাসপাতালের বর্তমান সমস্যা ও তা সমাধানের জন্য বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ও শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলুর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও যোগ দেন,
বরিশাল জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ: বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রেফায়েতুল হায়দার।
চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল এবং বরিশাল ড্যাব -এর সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম।নাগরিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধি: বরিশাল নাগরিক ফোরামের সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান এবং বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন।