পটুয়াখালীতে প্রবাসীর মা-বোন ও ভাগ্নিকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ২৭, ২০২৪, ১৭:২০ অপরাহ্ণ
Oplus_131072
পটুয়াখালী জেলার সদর লোহালিয়ায় প্রবাসীর মা-বোন, ভাগ্নিকে এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও তার পরিবারের সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে লোহালিয়ার পাজাখালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো, ওই এলাকার এসাহাক মাঝির স্ত্রী প্রবাসীর মা ময়ূরী বেগম, বোন মাহমুদা বেগম এবং বোনের মেয়ে কবিতা আক্তার।
এদের মধ্যে গুরুতর ময়ূরী ও মাহমুদা কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং কবিতা পটুয়াখালীতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।
আহত ময়ূরীর ছেলে প্রবাসী জাহাঙ্গীর জানান, জাহাঙ্গীর ১২ বছর পূর্বে পারিবারিক কলহের জের ধরে তার স্ত্রী একই এলাকার শাজাহান ফকিরের মেয়ে সাজেদাকে তালাক দেয়।
তালাকের ৯ বছর পরে জাহাঙ্গীর বিয়ে করেন।
গত ১০ নভেম্বর জাহাঙ্গীর কাতার থেকে বাড়িতে আসেন। গত মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর তার প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকায় যান। এই সুযোগে জাহাঙ্গীরের সাবেক স্ত্রী সাজেদা, শশুর শাজাহান, সমন্দি লালন ফকির, জাহাঙ্গীর ফকির, সাজেদার ছেলে জাহিদ ও মেয়ে বৃষ্টি সহ ১০-১২ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী গত মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে পরিকল্পিতভাবে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে আসেন। এক পর্যায় তারা ঘরবাড়ি ভাঙচুর লুটপাট চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে জাহাঙ্গীরের মা ময়ূরী বেগম বোন মাহমুদা এবং ভাগ্নি কবিতা কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন সাজেদা, শাজাহান, বৃষ্টি, জাহিদ, লালন ফকির, জাহাঙ্গীর ফকির সহ একদল সহযোগী।। এ সময় ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ময়ূরী এবং মাহমুদার অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে বরিশাল মেডিকেলের রেফার করা হয়। এদের মধ্যে ময়ূরীর অবস্থা আশঙ্কাজন। তবে অবস্থার অবনতি হলে যে কোন সময় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা যায়।