• ৩০শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী সেই রবিউল বহাল তবিয়তে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৬:২৮ অপরাহ্ণ
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী সেই রবিউল বহাল তবিয়তে!

ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলের অনিয়ম-দুর্নীতি-ঘুষখোর এমনকি হত্যা মামলার আসামিরাও আছে বহাল তবিয়তে। দুদকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী রবিউলের অনিয়ম-দুর্নীতির নানান কিচ্ছা-কাহিনী। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজের আপন ভাগিনা মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ২০১০ সালের স্বাস্থ্য সহকারী পদে যোগদান করেন। সরকারি চাকরিতে যোগদানের পরেই মামার ক্ষমতাবলে তিনি ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। যার উল্লেখযোগ্য ঘটনা দশমিনার আলোচিত মৌসুমি হত্যা মামলা। এ হত্যা মামলায় নামধারী ০৬ জনসহ আরো ৪/৫ জন আসামি। যার মধ্যে রবিউল ইসলাম (৩২) ০৩ নং আসামি।সরেজমিন অনুসন্ধান এবং মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের উত্তর আদমপুর গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ড নিবাসী মৌসুমী আক্তারকে ০৪/১১/২০২৩ ইং তারিখ শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ০৫/১১/২০২৩ ইং তারিখ বেলা ১২টার যে কোন সময় আসামীরা সংঘবদ্ধভাবে খুন করে। এ ব্যাপারে মৌসুমীর বড় ভাই মনিরুজ্জামান বিপ্লব রাঢ়ী (৪৫) বাদী হয়ে নামধারী ০৬ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে মোকাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল, পটুয়াখালীতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০০৩ সংশোধিত ১১(ক)/৩০ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৫২০/২০২৩।পরবর্তীতে রবিউল ইসলাম গ্রেফতার হলে ১১/০১/২০২৪ ইং তারিখ তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন মহামান্য আদালত। নামপ্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত না হয়ে চাকরিতে বহাল আছেন রবিউল। এছাড়াও তিনি প্রজেক্ট’র এম এস বি নিয়োগে এবং আউটসোর্সিং নিয়োগে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বিধিবহির্ভূতভাবে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এ বিষয়ে দশমিনার উপজেলা স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তা ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রবিউলের বিষয়ে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য আমি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সিভিল সার্জন মহোদয়কে লিখিতভাবে তথ্য প্রেরণ করলেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ কবির হাসান বলেন, তখন আমি রাজনৈতিক চাপে ব্যবস্থা নিতে পারিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন....