গত ১৫ জুন একটি আঞ্চলিক পত্রিকায় “পুলিশ ছেলের প্রভাব খাটিয়ে ভান্ডারিয়া চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে গেটে তালা, চরম দুর্ভোগে কয়েকশো মানুষ” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, উল্লিখিত জমিটি আমাদের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে আমাদের আইনসম্মত ভোগদখলে রয়েছে। জমিটি নিয়ে পূর্বে কিছুটা বিরোধ থাকলেও বর্তমানে তা সম্পূর্ণভাবে মীমাংসিত এবং আমাদের বৈধ দখলে রয়েছে। সংবাদের প্রতিপক্ষরা দাবি করেছে যে আমরা চলাচলের রাস্তায় তালা দিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছি, যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং সত্যের অপলাপ মাত্র।
মূলত প্রতিপক্ষরাই আমাদেরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং একটি সাজানো ঘটনায় ফাঁসানোর অসৎ উদ্দেশ্যে গেটে তালা ঝুলিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। আমরা আমাদের সীমানার ভেতরে গাছপালা ও বাগান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শুধুমাত্র একটি সাধারণ সুরক্ষা গেট স্থাপন করেছি, যা দ্বারা কারও চলাচলের পথে কোনো প্রকার বিঘ্ন বা সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। আমরা কোনো তালা দেইনি।
আমার ছেলে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সততার সাথে কর্মরত থাকার কারণে, প্রতিপক্ষ কুচক্রী মহলটি তার পেশাগত অবস্থানকে কালিমালিপ্ত করতে এবং আমাদের ওপর অন্যায় চাপ সৃষ্টি করতে তার নাম জড়িয়ে এই ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছে। মূলত, প্রতিপক্ষরা একটি প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে আমাদের পৈত্রিক ও বৈধ জমি অবৈধভাবে দখল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে তারা সংবাদমাধ্যমকে ভুল ও অসত্য তথ্য সরবরাহ করে এমন একটি বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।
আমি দেশবাসী, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ধরণের সাজানো ও উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।